দাঁতের ফিলিং কত বছর স্থায়ী হয়?

দাঁতের ফিলিং এমন একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যা দাঁতের ক্ষয় বা গ্যাপ পূর্ণ করতে ব্যবহৃত হয়। এটি দাঁতের টেকসই এবং কার্যকরী সমাধান হতে পারে। তবে, দাঁতের ফিলিংয়ের স্থায়িত্ব বিভিন্ন কারণে পরিবর্তিত হতে পারে। আজ আমরা আলোচনা করবো, দাঁতের ফিলিং কত বছর স্থায়ী হয় এবং এটি কিভাবে দীর্ঘস্থায়ী করতে পারেন।


ফিলিংয়ের স্থায়িত্ব কতটা?

দাঁতের ফিলিংয়ের স্থায়িত্ব বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চিকিৎসার ধরন এবং ব্যবহারকৃত উপকরণের উপর নির্ভর করে। সাধারণত, ফিলিংয়ের স্থায়িত্ব ৫ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে হতে পারে, তবে এটি একেকটি উপকরণের উপর ভিত্তি করে ভিন্ন হতে পারে।

প্রধান ধরণের ফিলিং এবং তাদের স্থায়িত্ব

  1. এমালগাম ফিলিং (Amalgam Filling)

    • স্থায়িত্ব: ১০ থেকে ১৫ বছর
    • বিশেষত্ব: এটি সিলভার কালারের ফিলিং, যা শক্ত এবং টেকসই। এটি সবচেয়ে পুরনো এবং সস্তা ফিলিং পদ্ধতি।
  2. কম্পোজিট রেজিন ফিলিং (Composite Resin Filling)

    • স্থায়িত্ব: ১০ থেকে ১৫ বছর
    • বিশেষত্ব: এটি দাঁতের রঙের সাথে মিশে যায় এবং প্রাকৃতিক দেখতে লাগে। যদিও এটি শক্তিশালী, কিন্তু অন্য ফিলিংয়ের তুলনায় কিছুটা কম স্থায়ী হতে পারে।
  3. গোল্ড ফিলিং (Gold Filling)

    • স্থায়িত্ব: ১০ থেকে ১৫ বছর
    • বিশেষত্ব: এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী এবং শক্তিশালী ফিলিং, তবে কিছুটা বেশি খরচ হতে পারে।
  4. সিরামিক ফিলিং (Ceramic Filling)

    • স্থায়িত্ব: ১০ থেকে ১৫ বছর
    • বিশেষত্ব: এটি দাঁতের রঙের মতো হওয়ায় প্রাকৃতিক দেখতে, এবং এটি টেকসই এবং স্থায়ী।
  5. গ্লাস আইনোমার ফিলিং (Glass Ionomer Filling)

    • স্থায়িত্ব: ৫ থেকে ১০ বছর
    • বিশেষত্ব: এটি সাধারনত ছোট গ্যাপ বা ক্ষয়ে ব্যবহৃত হয়, তবে অন্য ধরনের ফিলিংয়ের তুলনায় কম স্থায়ী।

ফিলিং দীর্ঘস্থায়ী করার উপায়

ফিলিং দীর্ঘস্থায়ী করতে কিছু সাধারণ টিপস রয়েছে, যা আপনাকে ফিলিংয়ের জীবনকাল বাড়াতে সাহায্য করতে পারে:

  1. যত্ন সহকারে ব্রাশ করুন: দাঁত প্রতিদিন দুটি সময় ভালোভাবে ব্রাশ করা উচিত, যাতে ফিলিংয়ের চারপাশে কোন জীবাণু বা অ্যাসিড না জমে।

  2. সামান্য ঠাণ্ডা বা গরম খাবার এড়িয়ে চলুন: অত্যধিক ঠাণ্ডা বা গরম খাবারের প্রভাব ফিলিংয়ের উপরে পড়তে পারে, বিশেষ করে যদি ফিলিং সামান্য শিথিল হয়ে থাকে।

  3. অতিরিক্ত শক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন: খুব শক্ত বা খাস্তা খাবার খাওয়ার সময় দাঁতের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে, যা ফিলিং ভেঙে যেতে পারে।

  4. ব্রোকেন বা গ্যাপিং দাঁত সঠিক সময়ে চিকিৎসা করান: যদি দাঁতে ফিলিং থাকে এবং দাঁতকে কোনো ক্ষতি হয়, তাহলে দ্রুত ডেন্টিস্টের কাছে যেতে হবে।

ফিলিংয়ের স্থায়িত্বের জন্য কীভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করবেন?

  1. রেগুলার ডেন্টাল চেকআপ: বছরে এক বা দুটি ডেন্টাল চেকআপের মাধ্যমে আপনার দাঁতের অবস্থান পর্যবেক্ষণ করুন। ডেন্টিস্ট আপনাকে প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ পরামর্শ দিতে পারবেন।

  2. ফিলিং পরীক্ষা: ফিলিংয়ে কোনো ফাটল বা ক্ষয় না থাকায় এটি টেকসই রাখতে সহায়ক হবে।

কেন এম,আই ডেন্টাল কেয়ার আপনার সেরা সমাধান?

এম,আই ডেন্টাল কেয়ার আধুনিক প্রযুক্তি এবং অভিজ্ঞ ডেন্টিস্টদের মাধ্যমে দাঁতের ফিলিংয়ের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য ও টেকসই চিকিৎসা সেবা প্রদান করে। আমরা সেরা উপকরণ ব্যবহার করে ফিলিং করতে সাহায্য করি, যা আপনার দাঁতের সৌন্দর্য এবং স্থায়িত্ব নিশ্চিত করবে।

বচেয়ে কম খরচে আধুনিক পদ্ধতিতে ফাঁকা দাঁতের সমস্যা সমাধানের জন্য এম,আই ডেন্টাল কেয়ার আছে আপনার পাশে।
বিগত প্রায় আট বছরের বেশি সময় ধরে এম,আই ডেন্টাল কেয়ার সুনামের সাথে আঁকাবাঁকা, উঁচুনিচু ও ফাঁকা দাঁতের চিকিৎসাসহ দাঁতের সকল ধরনের চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছে।

ফাঁকা দাঁতের চিকিৎসার আগের ও পরের ছবি দেখতে এখানে ক্লিক করুন


যোগাযোগের জন্য:
এম,আই ডেন্টাল কেয়ার
ঠিকানা: ঢাকা, কমলাপুর 
মোবাইল: 01650198767
Facebook Page
Website

Post a Comment

Previous Post Next Post